পরিবেশের উপাদান
জীবজগৎ ও জড় বস্তুর জগৎ
** প্রশ্ন :- পরিবেশ বলতে কী বোঝো ?
** উত্তর:- আমরা আমাদের চারিপাশে যা কিছু দেখি অর্থাৎ বাড়িঘর, গাছপালা, পশুপাখি, মানুষজন, চেয়ার, টেবিল, স্কুল, মাঠ, কীটপতঙ্গ- সবকিছু নিয়েই আমাদের পরিবেশ।
** প্রশ্ন:- পরিবেশের উপাদান বলতে কী বোঝো ?
** উত্তর:- একটি পরিবেশ যা যা নিয়ে গঠিত হয় সেগুলো সবই পরিবেশের উপাদান।
** প্রশ্ন:- পরিবেশের উপাদান কে কি কি ভাগে ভাগ করা যায় ?
** উত্তর:- পরিবেশের উপাদান কে দুটি ভাগে ভাগ করা যায় যথা-
ক) জীবজগৎ ( উদ্ভিদ ও প্রাণী )
খ) জড় জগৎ ( যাদের প্রাণ নেই )
** প্রশ্ন:- জীব বলতে কী বোঝো ? উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- যাদের প্রাণ আছে তাদের সবাইকে এক কথায় জীব বলে। জীবের জন্ম ও মৃত্যু আছে, এরা ছোট থেকে বড় হয়, জীব বংশবিস্তার করতে পারে।
উদাহরণ:- মানুষ, গরু, কুকুর, ছাগল, বটগাছ, আম গাছ - এরা সবাই জীবের উদাহরণ।
** প্রশ্ন:- জীবের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ ?
** উত্তর:- জীবের বৈশিষ্ট্য গুলো নিচে দেওয়া হল
ক) জীবের প্রাণ আছে
খ) এরা বংশবিস্তার করতে পারে
গ) জীব ছোট থেকে বড় হয়
ঘ) জীবের জন্ম ও মৃত্যু আছে
**প্রশ্ন:-জড়পদার্থ বলতে কী বোঝো?উদাহরণদাও।
** উত্তর:- যাদের প্রাণ নেই তাদের জড় পদার্থ বলা হয়।
উদাহরণ:- ইট, পাথর, বালি, বাড়ি, বিদ্যালয়, চেয়ার, টেবিল, পাখা, বই, খাতা- এগুলি সবই জড় পদার্থের উদাহরণ।
** প্রশ্ন:- জড় পদার্থের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
** উত্তর:-জড় পদার্থের বৈশিষ্ট্যগুলি নিচে আলোচনা করা হলো –
ক) জড় পদার্থের প্রাণ নেই।
খ) এরা বংশবিস্তার করতে পারেনা
গ) জড় পদার্থের জন্ম ও মৃত্যু নেই
ঘ) এরা ছোট থেকে বড় হয় না, এরা
চিরকাল একই রকম থাকে।
** প্রশ্ন:- জীব ও জড়ের দুটি পার্থক্য লেখ।
** উত্তর:-
** প্রশ্ন:- উদ্ভিদ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- যে সমস্ত জীব মাটি ভেদ করে ওপরে ওঠে, তাদের উদ্ভিদ বলা হয়। এরা নিজেদের খাবার নিজেরাই তৈরি করে নিতে পারে।
উদাহরণ:- আম গাছ, বটগাছ, কুমড়ো গাছ।
** প্রশ্ন:- প্রাণী কাদের বলে ?
** উত্তর:- যে সমস্ত জীব এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলাফেরা করতে পারে, তাদের প্রাণী বলা হয়।
এরা উদ্ভিদের মত নিজেদের খাবার নিজেরা তৈরি করতে পারে না। এরা খাদ্যের ব্যাপারে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
উদাহরণ:- মানুষ, কুকুর, গরু, ছাগল, টিকটিকি, মৌমাছি, পিঁপড়ে ইত্যাদি প্রাণীর উদাহরণ।
** প্রশ্ন:- উদ্ভিদ ও প্রাণী র তিনটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর:-
** প্রশ্ন:- জলজ উদ্ভিদ কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- যে সমস্ত উদ্ভিদ জলে জন্মায় তাদের জলজ উদ্ভিদ বলা হয়।
উদাহরণ:- পদ্ম, শালুক, কচুরিপানা, ইত্যাদি।
** প্রশ্ন:- স্থলজ বলতে কি বোঝো? উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- যে সমস্ত উদ্ভিদ স্থলভাগে জন্মায় তাদের স্থলজ উদ্ভিদ বলা হয়।
উদাহরণ:- বট, ফনিমনসা, লাউ, কুমড়ো ইত্যাদি।
** প্রশ্ন:- জলে ভাসমান উদ্ভিদ কাদের বলে?
** উত্তর:- যে সমস্ত উদ্ভিদ জলে ভেসে থাকে তাদের জলে ভাসমান উদ্ভিদ বলা হয়। এই ক্ষেত্রে উদ্ভিদের মূল বা শিকড় কখনোই জলের নিচে থাকা মাটি কে স্পর্শ করে না।
উদাহরণ:- কচুরিপানা জলে ভাসমান উদ্ভিদ
**প্রশ্ন:- পদ্ম কি জলে ভাসমান উদ্ভিদ? ব্যাখ্যা দাও।
**উত্তর:- না, পদ্ম জলে ভাসমান উদ্ভিদ নয়। কারণ, পদ্মের মূল বা শিকড় জলের নিচে থাকা মাটি কে আঁকড়ে ধরে থাকে।
** প্রশ্ন:- কাকে উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয়?
** উত্তর:- পাতাকে উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয়
** প্রশ্ন:- পাতাকে উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয় কেন?
** উত্তর:- উদ্ভিদ পাতার মধ্যে তার খাদ্য প্রস্তুত করে বলে পাতাকে উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয়।
** প্রশ্ন:- একটি স্যাঁতসেঁতে জায়গায় জন্মানো গাছের নাম করো?
** উত্তর:- শ্যাওলা
** প্রশ্ন:- জলের নিচে জন্মানো গাছের নাম করো?
** উত্তর:- পদ্ম
** প্রশ্ন:- জলে ভাসমান গাছের নাম করো?
** উত্তর:- কচুরিপানা
** প্রশ্ন:- শুকনো মাটিতে জন্মানো একটি গাছের নাম করো?
** উত্তর:- আম গাছ
** প্রশ্ন:- কয়েকটি পাহাড়ি গাছের নাম করো।
** উত্তর:- ওক, পাইন, রডোডেনড্রন ইত্যাদি
** প্রশ্ন:- মরুভূমিতে বা বালিতে জন্মানো গাছের নাম করো?
** উত্তর:- ফনিমনসা, ক্যাকটাস ইত্যাদি।
** প্রশ্ন:- নোনা জলের পাশে জন্মানো গাছের নাম করো।
** উত্তর:- নারকেল, সুন্দরী, গড়ান, গেওয়া ইত্যাদি
** প্রশ্ন:- একটি কাঁটাযুক্ত গাছের নাম করো
** উত্তর:- গোলাপ, ফনিমনসা, ক্যাকটাস ইত্যাদি
** প্রশ্ন:- ফুল ও ফল হয় না এমন একটি গাছের নাম বল?
** উত্তর:- মস, ফার্ন, ছত্রাক
** প্রশ্ন:- ফুল এবং ফল দুই হয় এমন একটি গাছের নাম বল?
** উত্তর:- কলা, আম, কুমড়ো, লাউ ইত্যাদি।
** প্রশ্ন:- একটি বিষাক্ত গাছের নাম করো?
** উত্তর:- ধুতুরা, আকন্দ ইত্যাদি।
** প্রশ্ন:- কাঠ পাওয়া যায় এমন দুটি গাছের নাম করো।
** উত্তর:- শাল গাছ, সেগুন গাছ
** প্রশ্ন:- একটি লতানো গাছের নাম করো?
** উত্তর:- লাউ, কুমড়ো ইত্যাদি
** প্রশ্ন:- আকর্ষ কোন ধরনের গাছে দেখা যায়?
** উত্তর:- লতানো গাছে আকর্ষ দেখা যায়।
যেমন, কুমড়ো গাছের আকর্ষ আছে।
** প্রশ্ন:- আমরা গাছ থেকে কি কি পাই?
** উত্তর:- আমরা গাছ থেকে অক্সিজেন, ফুল, ফল,
খাদ্য, কাঠ ইত্যাদি পাই।
** প্রশ্ন:- পরিবেশের কোন গ্যাস দিয়ে উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে?
** উত্তর:- কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস
** প্রশ্ন:- খাদ্য প্রস্তুত করার সময় কোন গ্যাস পরিবেশে ছেড়ে দেয়?
** উত্তর:- অক্সিজেন গ্যাস
** প্রশ্ন:- খাদ্য প্রস্তুত করতে উদ্ভিদের কি কি প্রয়োজন?
** উত্তর:- পরিবেশের কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস,
সূর্যের আলো, জল, এবং ক্লোরোফিল।
** প্রশ্ন:- মালভূমি অঞ্চলে জন্মানো দুটি গাছের নাম লেখ।
** উত্তর:- শাল গাছ ও সেগুন গাছ।
** প্রশ্ন:- তুলো পাওয়া যায় কোন গাছ থেকে?
** উত্তর:- শিমুল গাছ, কার্পাস গাছ।
** প্রশ্ন:- আঠা পাওয়া যায় এমন একটি গাছের নাম বল?
** উত্তর:- শাল গাছ (ধুনো হল শালের আঠা)
** প্রশ্ন:- একটি ভেষজ গাছের নাম করো?
** উত্তর:- তুলসী, নিম, বাসক, সিঙ্কোনা ইত্যাদি
** প্রশ্ন:- তেল পাওয়া যায় এমন একটি গাছের নাম করো?
** উত্তর:- সরষে, বাদাম, নারিকেল, তিল, সূর্যমুখী, ইত্যাদি।
** প্রশ্ন:-স্থলজ প্রাণী কাকে বলা হয়? উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- যে সমস্ত প্রাণী স্থলে থাকে তাদের স্থলজ প্রাণী বলে।
উদাহরণ:- মানুষ, বাঘ, কুকুর, পিঁপড়ে ইত্যাদি।
**প্রশ্ন:- জলজ প্রাণী বলতে কী বোঝ? উদাহরণ দাও
**উত্তর:- যে সমস্ত প্রাণী জলে বসবাস করে, তাদের জলজ প্রাণী বলে।
উদাহরণ:- মাছ, তিমি ইত্যাদি।
**প্রশ্ন:- উভচর প্রাণী কাদের বলা হয়? উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- যে সমস্ত প্রাণীরা জীবনচক্রের কিছুটা সময় জলে ও কিছুটা সময় স্থলে কাটায়, তাদের উভচর প্রাণী বলে।
উদাহরণ:- ব্যাঙ একটি উভচর প্রাণী।
** প্রশ্ন:- দেয়ালে থাকে এমন একটি প্রাণী র নাম লেখ?
** উত্তর:- টিকটিকি
** প্রশ্ন:- ফুলে ফুলে ঘোরে এমন একটি প্রাণী র নাম লেখ?
** উত্তর:- প্রজাপতি, মৌমাছি
** প্রশ্ন:- পাতায় থাকে এমন একটি প্রাণী র উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- গাছের পোকা
** প্রশ্ন:- জলে থাকে কিন্তু খালি চোখে দেখা যায় না এমন একটি প্রাণীর নাম লেখ?
** উত্তর:- অ্যামিবা ও ব্যাকটেরিয়া।
** প্রশ্ন:-:মেরুদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে প্রাণীদের কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কি কি?
** উত্তর:- মেরুদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে প্রাণীদের দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক) মেরুদন্ডী প্রাণী
খ) অমেরুদন্ডী প্রাণী
** প্রশ্ন:- মেরুদন্ডী প্রাণী কাদের বলে? উদাহরণ দাও
** উত্তর:- যে সমস্ত প্রাণীর মেরুদন্ড আছে, তাদের মেরুদন্ডী প্রাণী বলা হয়।
উদাহরণ:- মানুষ, কুকুর, বাঘ- ইত্যাদি মেরুদন্ডী প্রাণী।
** প্রশ্ন:- অমেরুদন্ডী প্রাণী কাকে বলে ?উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- যে সমস্ত প্রাণীর মেরুদন্ড নেই, তাদের অমেরুদন্ডী প্রাণী বলা হয়।
উদাহরণ:- কেঁচো,কেন্ন, মশা- অমেরুদন্ডী প্রাণী
** প্রশ্ন:- মেরুদন্ডী প্রাণী ও অমেরুদন্ডী প্রাণীর পার্থক্য লেখ।
উত্তর:-
** প্রশ্ন:- মাছের আঁশ এর উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মাছ কে কতগুলি ভাগে ভাগ করা হয় ও কি কি?
** উত্তর:- মাছের আঁশ এর উপস্থিতি অনুযায়ী মাছকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক) আঁশযুক্ত মাছ
খ) আঁশবিহীন মাছ
** প্রশ্ন:- দুইটি আঁশ যুক্ত মাছের উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- রুই, কাতলা
** প্রশ্ন:- দুইটি আঁশবিহীন মাছের উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- মাগুর, বোয়াল।
** প্রশ্ন:- লেজ এর সাহায্যে মাছ কি করে?
** উত্তর:- লেজের সাহায্যে মাছ জলের মধ্যে দিক পরিবর্তন করে।
** প্রশ্ন:- পাখনা মাছের কি কাজে লাগে?
** উত্তর:- পাখনার সাহায্যে মাছ জলে সাঁতার
কাটে।
** প্রশ্ন:- ব্যাঙ এবং কচ্ছপের একটি করে মিল ও অমিল লেখ।
উত্তর ঃ-
** প্রশ্ন:- সাপ এবং কেঁচোর একটি করে মিল ও অমিল লেখ।
** উত্তর:-
** প্রশ্ন:- রুই মাছ ও চিংড়ি মাছ এর একটি করে মিল এবং অমিল লেখ।
** উত্তর:-
** প্রশ্ন:- প্রজাপতি এবং পাখির একটি করে মিল ও একটি করে অমিল লেখ।
** উত্তর:-
** প্রশ্ন:- নিচের প্রাণীগুলোর আত্মরক্ষার প্রয়োজনে কি কি শারীরিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে- তা লেখ।
(সজারু, গরু, হাতি, গিরগিটি, বাঘ)
উত্তর:-
** প্রশ্ন:- হাঁসের পায়ের আঙুলগুলো জোড়া থাকে কেন ?
** উত্তর:- সাঁতার কাটার সুবিধার জন্য হাঁসের পায়ের আঙুলগুলো চামড়া দিয়ে জোড়া থাকে।
** প্রশ্ন:- এমন দুটি প্রাণীর নাম করো যাদের নরম শরীর শক্ত আবরণে ঢাকা থাকে ?
** উত্তর:- শামুক, ঝিনুক, কচ্ছপ
** প্রশ্ন:- শামুক ও ঝিনুকের শরীরটা শক্ত খোলস এর ভিতর থাকে কেন?
** উত্তর:- শরীরের নরম অংশকে রক্ষা করার জন্য।
** প্রশ্ন:- কাদের শরীরের ভেতরে বাতাস ভরা থলি থাকে?
** উত্তর:- পাখিদের শরীরের ভেতরে বাতাস ভরা থলি থাকে।
** প্রশ্ন:- পাখিদের শরীরের ভিতরে বাতাস ভরা থলি থাকে কেন ?
** উত্তর:- আকাশে ওড়ার জন্য পাখিদের শরীরের ভেতরে বাতাস ভরা থলি থাকে।
** প্রশ্ন:- পাখিরা কি খায় ?
** উত্তর:- পাখিরা বিভিন্ন রকমের দানাশস্য, পোকামাকড় ইত্যাদি খায়।
** প্রশ্ন:- কোন প্রাণী ভবিষ্যতের জন্য খাবার সঞ্চয় করে রাখে?
** উত্তর:- মৌমাছি, পিঁপড়ে, কাক
** প্রশ্ন:- কোন প্রাণী মাঝেমাঝেই বাসস্থান পরিবর্তন করে?
** উত্তর:- পিঁপড়ে, মৌমাছি।
** প্রশ্ন:- ডিম পাড়ে এমন চারটি প্রাণীর নাম বলো।
** উত্তর:- হাঁস, মুরগি, টিকটিকি, সাপ
** প্রশ্ন:- জাবর কাটে এমন দুটি প্রাণীর নাম বলো?
** উত্তর:- গরু, ছাগল
** প্রশ্ন:- লাফ দিয়ে দিয়ে চলে কোন প্রাণী?
** উত্তর:- ব্যাঙ
** প্রশ্ন:- মোম দিয়ে সুন্দর ভাবে বাসা বানাতে পারে কে?
** উত্তর:- মৌমাছি
** প্রশ্ন:- স্পর্শ করলে গুটিয়ে যায় কোন প্রাণী?
** উত্তর:- কেন্ন
** প্রশ্ন:- পা নেই এমন তিনটি প্রাণীর নাম করো।
** উত্তর:- কেঁচো, কৃমি, মাছ, জোঁক
** প্রশ্ন:- ফুলে ফুলে মধু সংগ্রহ করে কে ?
** উত্তর:- মৌমাছি
** প্রশ্ন:- একটি প্রাণীর নাম করো যেটি অন্য কোন প্রাণীর শরীরে বসবাস করে?
** উত্তর:- কৃমি
** প্রশ্ন :- মাটির নিচে গর্তে বসবাস করে কোন প্রাণী ?
** উত্তর:- ইঁদুর, খরগোশ, পিঁপড়ে
** প্রশ্ন:- ডানা আছে কিন্তু মেরুদন্ড নেই- কোন প্রাণীর?
** উত্তর:- মশা, মাছি, প্রজাপতি, আরশোলা
** প্রশ্ন:- কয়েকটি পতঙ্গের উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- মশা, মাছি, আরশোলা।
** প্রশ্ন:- পতঙ্গের কতগুলি করে পা থাকে ?
** উত্তর:- পতঙ্গের ছটি করে পা থাকে।
** প্রশ্ন :- সাপ কখন খাদক এবং কখন খাদ্য?
** উত্তর:- সাপ যখন ব্যাঙ কে খায়, তখন সাপ খাদক। চিল যখন সাপকে খায় তখন সাপ খাদ্য।
** প্রশ্ন:- বাঁদর কখন খাদক এবং কখন খাদ্য ?
** উত্তর:- বাঁদর যখন ফলমূল খায় তখন সে খাদক। কিন্তু বাঘ যখন বাঁদর কে খায়, তখন বাঁদর খাদ্য।
** প্রশ্ন:- মাছ কখন খাদক এবং কখন খাদ্য ?
** উত্তর:- মাছ যখন শ্যাওলা বা জলের কোন পোকামাকড় খায়, তখন সে খাদক। কিন্তু মাছরাঙ্গা যখন মাছ কে খায়, তখন মাছ খাদ্যে পরিণত হয়।
** প্রশ্ন:- সবচেয়ে ছোট পাখির নাম কি?
** উত্তর:- হামিং বার্ড
** প্রশ্ন:- সবচেয়ে বড় পাখির নাম কি?
** উত্তর:- উটপাখি
** প্রশ্ন:- ঝাড়ুদার পাখি কাকে বলে?
** উত্তর:- কাক কে ঝাড়ুদার পাখি বলা হয়।
** প্রশ্ন:- তাঁতি পাখি কাকে বলা হয়?
** উত্তর:- বাবুইকে তাঁতি পাখি বলা হয়।
** প্রশ্ন:- দরজি পাখি কাকে বলা হয় ?
** উত্তর:- টুনটুনি পাখিকে দরজি পাখি বলা হয়।
** প্রশ্ন:- বসন্তের দূত কোন পাখিকে বলে ?
** উত্তর:- কোকিল কে বসন্তের দূত বলে।
** প্রশ্ন :- কোন পাখি কে শান্তির দূত বলা হয় ?
** উত্তর:- সাদা পায়রা কে শান্তির দূত বলা হয়।
** প্রশ্ন:- ভারতের জাতীয় পাখি কোনটি?
** উত্তর:- ময়ূর।
** প্রশ্ন:- বিলুপ্ত প্রাণী কাদের বলে ? উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- যে সমস্ত প্রাণী পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে, তাদের বিলুপ্ত প্রাণী বলে। বিলুপ্ত প্রাণীরা পৃথিবীতে আর একটাও নেই।
উদাহরণ:- বালি দ্বীপের বাঘ, হিমালয়ের বামন তিতির, গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের কচ্ছপ, ভারতের গোলাপি মাথা হাঁস, এবং নিউজিল্যান্ডের গ্রেলিং মাছ পৃথিবী থেকে বিলুপ্তি হয়ে গেছে।
** প্রশ্ন:- লুপ্তপ্রায় প্রাণী বলতে কী বোঝো? উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- যে সমস্ত প্রাণীরা সম্পূর্ণরূপে এখনো পৃথিবী থেকে পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যায়নি, কিন্তু তারা ক্রমশ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে চলেছে -তাদের লুপ্তপ্রায় প্রাণী বলা হয়।
উদাহরণ:- পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার, অলিভ রিডলে কচ্ছপ, একশৃঙ্গ গন্ডার এবং কৃষ্ণসার হরিণ লুপ্তপ্রায় প্রাণীর উদাহরণ।
** প্রশ্ন:- কি কি কারনে বন্যপ্রাণীদের সংখ্যা কমে যেতে পারে বলে তোমার মনে হয়?
** উত্তর:- নিম্নলিখিত কারণ গুলির জন্য বন্যপ্রাণীদের সংখ্যা কমে যেতে পারে। যথা-
ক) চোরা শিকারের ফলে বন্যপ্রাণী র সংখ্যা কমে যেতে পারে।
খ) গাছপালা কেটে ফেলার ফলে বন্য প্রাণীর সংখ্যা কমে যেতে পারে।
গ) দাবানলের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনেও বন্য প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
** প্রশ্ন:- লুপ্তপ্রায় প্রাণীগুলো কে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে গেলে - আমাদের কি করা উচিত?
** উত্তর:- লুপ্তপ্রায় প্রাণী গুলো কে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে গেলে আমাদের সঠিক উপায় অবলম্বন করে, প্রাণীগুলো র সংরক্ষন করতে হবে।
** প্রশ্ন:- সংরক্ষণ বলতে কী বোঝো ?
** উত্তর:- কোন জীব (উদ্ভিদ বা প্রাণী) যাতে পরিবেশ থেকে হারিয়ে না যায় বা বিলুপ্ত হয়ে না যায়, সেই জন্য যে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়- তাকে সংরক্ষন বলে।
** প্রশ্ন:- প্রাণী সংরক্ষণ বলতে কী বোঝো?
** উত্তর:- কোন প্রাণী যাতে পরিবেশ থেকে হারিয়ে না যায় বা বিলুপ্ত হয়ে না যায়, সেই জন্য যে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়- তাকে প্রাণী সংরক্ষণ বলে।
** প্রশ্ন:- আমাদের দেশে লুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীদের রক্ষা করার জন্য কি কি সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
** উত্তর:- আমাদের দেশে লুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীদের রক্ষা করার জন্য নিচের ব্যবস্থা গুলো গ্রহন করা হয়েছে। যথা-
ক) চোরাশিকার বন্ধ করা হয়েছে
খ) খেয়ালখুশি মতো ইচ্ছেমতো গাছ কাটা আইন করে বন্ধ করা হয়েছে।
গ) বেশ কিছু জায়গায় বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীদের জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলা হয়েছে।
** প্রশ্ন:- জড় পদার্থ বলতে কী বোঝো ?
** উত্তর:- যে সমস্ত পদার্থর প্রাণ নেই তাদের জড় পদার্থ বলা হয়।
** প্রশ্ন:- পদার্থ বলতে কী বোঝো?
** উত্তর:- কোন বস্তু যে উপাদান দিয়ে তৈরি, তাকে পদার্থ বলা হয়।
** প্রশ্ন:- বস্তুর আয়তন বলতে কী বোঝো?
** উত্তর:- কোন বস্তু যে পরিমান জায়গা দখল করে থাকে, কাকে বস্তুটির আয়তন বলা হয়
** প্রশ্ন:- কোন বস্তুর ভর বলতে কী বোঝো?
** উত্তর:- কোন বস্তুর মধ্যে যে পরিমান জড় পদার্থ থাকে, তাকে বস্তুটির ভর বলা হয়।
** প্রশ্ন:- পদার্থের কতগুলি অবস্থা ও কি কি ?
** উত্তর:- পদার্থের তিনটি অবস্থা। যথা-
ক) কঠিন
খ) তরল
গ) গ্যাস
** প্রশ্ন:- কঠিন পদার্থের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- কঠিন পদার্থের বৈশিষ্ট্য হলো-
ক) কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার আছে
খ) কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে
গ) উদাহরণ :- ইট, কাঠ, পাথর
** প্রশ্ন:- তরল পদার্থের 2 টি বৈশিষ্ট্য লেখ। উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- তরল পদার্থের বৈশিষ্ট্য গুলি হল-
ক) তরল পদার্থের কোন নির্দিষ্ট আকার নেই।
খ) তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে।
গ) উদাহরণ:- দুধ, জল, তেল
** প্রশ্ন:- গ্যাসের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উদাহরণ দাও।
** উত্তর:- গ্যাসের বৈশিষ্ট্য গুলি হল-
ক) গ্যাসের নির্দিষ্ট কোন আকার নেই
খ) গ্যাসের নির্দিষ্ট কোন আয়তন নেই।
গ) উদাহরণ:- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন
** প্রশ্ন:- দাড়িপাল্লায় বস্তুর কি মাপা হয়?
** উত্তর:- দাড়িপাল্লায় বস্তুর ভর মাপা হয়।
** প্রশ্ন:- বস্তুর ভার বা ওজন কিসে মাপা হয়?
** উত্তর:- স্প্রিং তুলাযন্ত্রে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা
হয়।
** প্রশ্ন:- কোন ঋতুতে কুয়াশা দেখা যায়
** উত্তর:- শীতকালে কুয়াশা দেখা যায়।
** প্রশ্ন:- জল ফুটে কিসে পরিণত হয়?
** উত্তর:- জলীয় বাষ্পে
** প্রশ্ন:- জলীয়বাষ্পের কঠিন অবস্থা কোনটি?
** উত্তর:- বরফ
** প্রশ্ন:- ভিজে জামা কাপড় শুকিয়ে গেলে তার জল কোথায় যায়?
** উত্তর:- ভিজে জামা কাপড় শুকিয়ে গেলে তার জল জলীয়বাষ্প হিসেবে পরিবেশে মিশে যায়।
** প্রশ্ন:- মিশ্রন বলতে কী বোঝো?
** উত্তর:- দুই বা তার বেশি পদার্থ মিশে গেলে তাকে মিশ্রন বলা হয়।
** প্রশ্ন:- লোহা চূর্ণ এবং বালির মিশ্রণ কিভাবে পৃথক করবে ?
** উত্তর:- চুম্বকের সাহায্যে
** প্রশ্ন:- মাটি গোলা জল থেকে মাটিকে কিভাবে পৃথক করবে?
** উত্তর:- মাটি গোলা জলকে কিছুক্ষণ এক জায়গায় রেখে দিলে, নিজে থেকেই জলের নিচের তলায় মাটি থিতিয়ে পড়বে।
** প্রশ্ন:- চিনি ও মুড়ির মিশ্রণকে কিভাবে পৃথক করবে ?
** উত্তর:- চালুনির সাহায্যে
** প্রশ্ন:- লবণ ও জলের দ্রবন থেকে লবণ কে কিভাবে পৃথক করবে?
** উত্তর:- দ্রবণ কে গরম করে, দ্রবন থেকে বাষ্প বের করলে লবণ পড়ে থাকবে।
** প্রশ্ন:- চাল থেকে কাঁকর পৃথক করবে কিভাবে?
** উত্তর:- কুলোর সাহায্যে
** প্রশ্ন:- ধানের খোসা কে কি বলে?
** উত্তর:- ধানের খোসা কে তুষ বলে।
** প্রশ্ন:- ধান থেকে ধানের তুষ কে কিভাবে পৃথক করবে?
** উত্তর:- হাওয়ার সাহায্যে ধান থেকে ধানের তুষ কে পৃথক করা হয়।
** প্রশ্ন:- বালি ও লবণের মিশ্রণ থেকে লবণ কে কিভাবে পৃথক করবে ?
** উত্তর:- দ্রবন তৈরি করে, সেই দ্রবনকে ছেঁকে, তারপর তাকে শুকিয়ে লবণ কে পৃথক করা যাবে।
পরিবেশ ও তার উপাদান সম্পর্কে সম্পূর্ণ ক্লাসের ভিডিওটি নিচে দেওয়া হলো।







